Home / অন্যান্য / গভীর রাতে ছাত্রীদের নিজের স্বামীর কাছে পাঠাতেন তিনি…

গভীর রাতে ছাত্রীদের নিজের স্বামীর কাছে পাঠাতেন তিনি…

রাজস্থানের আলওয়ারের একটি স্কুলের ঘটনা। সেই স্কুলের গার্লস হোস্টেলে থাকে বেশ কিছু মেয়ে। যাদের দূরে বাড়ি তারাই থাকে হোস্টেলে। তাদের বাবা মাও বিশ্বাস করে তাদের পাঠিয়েছে সেখানে। কিন্তু তারা কিভাবে জানবে সেখানে তাদের মেয়ে কি অবস্থায় আছে? তারা বাইরে থেকে দেখছে তাদের মেয়ে খুব ভালো আছে কিন্তু হোস্টেলের ভিতর কি হচ্ছে তার কোন ধারনা নেই তাদের।
হোস্টেলে কি হচ্ছে তা জানতেন না স্কুলের প্রিন্সিপালও। পাকিস্তানের হামলার পর উইং কমান্ডার অভিনন্দনের দেশে ফেরার আনন্দে স্কুলের প্রিন্সিপাল সুখীরাম মিষ্টি কিনে নিয়ে আসে হোস্টেলে। তবে সেখানে হঠাত করে এসে এরকম সাংঘাতিক খবর শুনতে হতে ভাবতেও পারেন নি তিনি।

সেখানে তিনি সেদিন গিয়েছিলেন বলেই পুরো ঘটনা সামনে আসে। নাহলে তিনি জানতেই পরতেন না সেখানে কি হচ্ছে। সেই স্কুলে থাকে শুধু মেয়েরা আর তার সুযোগ নেয় সেই হোস্টেলের ওয়ার্ডেন। সেই হোস্টেলের দেখাশোনার জন্য সেখানেই থাকে সে। তার সঙ্গে থাকে তার স্বামী। সেও হোস্টেলের দেখাশোনা করে।

হোস্টেলের ওয়ার্ডেন এক একদিন এক একটি মেয়েকে পাঠাতো তার স্বামীর কাছে। আর তার স্বামী প্রতি রাতে উপভোগ করে যৌ-ণতা। প্রতিদিন নিত্য নতুন মেয়েদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতো। সেই ওয়ার্ডেনের স্বামীর বিরুদ্ধে মেয়েদের যৌ-ণ হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে।

রাতের গভীরে ওয়ার্ডেন তার স্বামীর কাছে মেয়েদের পাঠাতেন ভয় দেখিয়ে। সেই মেয়েরা ভয়ে কখনো মুখ খুলতে পারেনি। প্রিন্সিপাল হঠাত হোস্টেলে এসে পড়ায় হাতে নাতে প্রমান পায় সব ঘটনার। আর তক্ষনি খবর দেয় পুলিশকে। পুলিশ এসে গ্রেফতার করে হোস্টেলের ওয়ার্ডেন আর তার স্বামীকে। গ্রেফতার করার পর তাদের আপাতত পুলিশ হেপাজতে রাখা হয়েছে।

তদন্ত শুরু করা হয়েছে। হোস্টেলের কম বয়সি মেয়েরাও রেহাই পায়নি হেনস্তার হাত থেকে। যার উপর বিশ্বাস করে দেওয়া হয়েছিলো এত শিশুর দায়িত্ব সেই যে এরকম কাজ করবে তা সকলের কল্পনার বাইরে। হোস্টেলে পুলিশ আসতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। সেখানে এসে হাজির হয় সাংবাদিকরাও।

সংবাদ শুনে সব ছাত্রীদের অভিভাবক তাদের নিয়ে চলে যায় হোস্টেল থেকে। বাচ্ছারা এখন ট্রমায় আছে। তাদের ডাক্তার দেখিয়ে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে।