Home / অন্যান্য / জানেন কোন কোন পদ্ধতি অবলম্বন করলে জমজ সন্তান হয়… না জানলে জেনে নিন এক্ষুনি…

জানেন কোন কোন পদ্ধতি অবলম্বন করলে জমজ সন্তান হয়… না জানলে জেনে নিন এক্ষুনি…

সন্তান লাভ সব সময়ের আনন্দের। তবে আনন্দ দ্বিগুণ হয় যদি একসাথে আসে দুই সন্তান। যদিও বা একের অধিক সন্তান মায়ের জন্য আনন্দের হয়, কিন্তু ডাক্তারদের জন্য এটা একটু চিন্তার বিষয়। কেননা একের অধিক সন্তান গর্ভে থাকলে মায়েরা প্রসবকালীন সময়ে ঝুঁকিতে থাকে। তাই প্রথম থেকেই তাদের ব্যাপারে নানা রকম ব্যবস্থা নিতে হয়।

যমজ সন্তানদের সাধারণত এক রকম দেখতে হয়। আবার অনেক সময় যমজদের ভিন্ন দেখতেও হয়। এটা সকলেরই জানা যে স্ত্রী দেহের ডিম্বাণু ও পুরুষের শুক্রাণুর মিলনে তৈরি হয় ভ্রূণ। প্রতি ঋতুচক্রে নারী শরীরে একটি ডিম্বাণু উৎপন্ন হয়। কিন্তু বিশেষ কারণে দু‍টি ডিম্বাণুও উৎপন্ন হতে পারে।
সেই একটি বা দুটি ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করার কাজটি করে অসংখ্য শুক্রাণু। বৈজ্ঞানিকভাবে দেওয়া এই বিবরণ বাস্তব জীবনে যেন ম্যাজিকের মতো। প্রায় একই সময়ে উৎপন্ন হওয়া দুটি ডিম্বাণু থেকে যমজ সন্তানের উৎপত্তি হয়ে থাকে।

শুধু এটাই একমাত্র কারণ নয়, চিকিৎসা শাস্ত্র বলছে একটি ডিম্বাণু ভেঙে দুটি হয়ে গেলেও যমজ সন্তানের জন্ম হতে পারে। আলট্রা সনগ্রাফির মাধ্যমে চিকিৎসা বিজ্ঞান এখন অনেক এগিয়েছে। জন্মের অনেক আগে থেকেই এখন পরিবারের মানুষ সুখবরের ইঙ্গিত পেয়ে যান।
প্রেগ্নেন্সির শুরুর দিকে মায়েরা যমজ সন্তান আসার ইঙ্গিত সেভাবে পান না। তবে অন্য মায়েদের তুলনায় এই মায়েরা বমি ভাব ও মাথা ঘোরানোর সমস্যায় ভগেন। সমস্যা বাড়লে বমি ভাব দূর করার জন্য সেক্ষেত্রে স্যালাইনের উপর রাখতে হয়। এই অবস্থাকে আমরা বলি হাইপার ইমেসিস গ্র্যাভিডেরাম।

যমজ সন্তানের ক্ষেত্রে প্রি টার্ম লেবার দেখা যায়, অর্থাৎ সময়ের আগেই উঠতে পারে প্রসব বেদনা। মিসক্যারেজ বা গর্ভপাতের সম্ভবনাও থাকে অনেক সময়। দুটি সন্তান জঠরে এক সাথে থাকায় অনেক সময় দুটি বাচ্চার ওজন বা একটির ওজন খুব কম হয়ে থাকে।
ইংরেজীতে যমজদের বলা হয় টুইন বেবি। প্রশ্ন হলো যমজ সন্তান গর্ভে আসার সম্ভাবনা কাদের থাকে। কোন বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বনে কি হতে পারে যমজ সন্তান? বলা হয় অনেকের পরিবারে, তাদের মা বা শ্বশুর পক্ষের কারও না কারও যমজ সন্তান হলে এই সম্ভবনা বেশি হয়।

বর্তমানে শোনা যায় Ovulation inducing drugs – এ ধরনের ওষুধ ব্যবহার করলে একের অধিক সন্তান গর্ভধারণ হয়।